HemGrupperDiskuteraMerTidsandan
Denna webbplats använder kakor för att fungera optimalt, analysera användarbeteende och för att visa reklam (om du inte är inloggad). Genom att använda LibraryThing intygar du att du har läst och förstått våra Regler och integritetspolicy. All användning av denna webbplats lyder under dessa regler.
Hide this

Resultat från Google Book Search

Klicka på en bild för att gå till Google Book Search.

Calígula av Albert Camus
Laddar...

Calígula (utgåvan 1981)

av Albert Camus

Serier: Cycle de l'absurde (3)

MedlemmarRecensionerPopularitetGenomsnittligt betygOmnämnanden
323859,859 (3.92)10
In this passionate, poetic and darkly comic drama, a charismatic leader is given absolute freedom to challenge social convention in pursuit of personal obsession. Following the death of his beloved sister, Emperor Caligula deserts the Roman Assembly for three days and three nights. He returns with a single objective: to understand the meaning of life. Caligula, in this new translation by David Greig, was first presented at the Donmar Warehouse in April 2003.… (mer)
Medlem:gneoflavio
Titel:Calígula
Författare:Albert Camus
Info:Alianza Editorial Sa (1981), Paperback, 152 pages
Samlingar:Ditt bibliotek
Betyg:****
Taggar:Ensayo, Teatro

Verkdetaljer

Caligula av Albert Camus

Ingen/inga.

Laddar...

Gå med i LibraryThing för att få reda på om du skulle tycka om den här boken.

Det finns inga diskussioner på LibraryThing om den här boken.

» Se även 10 omnämnanden

spanska (4)  engelska (4)  Alla språk (8)
Visa 1-5 av 8 (nästa | visa alla)
‘’A man can't live without some reason for living.”

It is often the case when I find no particular connection with the novels of highly acclaimed writers but their plays resonate with me and become a point of reference in my collection. Such bright examples are Tolstoy, Gorky, Sartre and Camus.
Each one of them has produced some of the most fascinating, world-changing literary works, yet it is their plays that placed them in my heart. When I first read ‘’The Stranger’’, there was very little that surprised me or touched me. Yet, ‘’The Possessed’’ and ‘’Caligula’’ have stayed with me ever since. Watching a recent outstanding Greek production in a beautiful theatre house in Athens, I felt -yet, again- the impact, the sheer joy of the unfolding, living theatre, of the grandeur that only plays can bring to the audience’s hearts. And I was happy to see that there are still satisfying productions being made in the land that gave birth to Theatre but lost its cultural identity through cheap, poorly-made TV...Anyway...

Caligula is one of the most fascinating, infamous and intriguing figures of Roman History. Competing with Nero for the place of the King of Mad Emperors in the mind of the laymen, he is reputed for his cruelty, barbarism, sexual perversion and unlimited resources of finding new ways to entertain himself through violence and whatnot. As with Nero, the majority of recent historians have disputed the credibility of the sources, but this isn’t what concerns us here. Theirs is the attempt to verify what cannot be verified, unless we finally invent the time -travel machine and take a trip to good, old, glorious Rome (and count me in, because I love perverted Roman Emperors and in any case, everyone is better than the politicians that are currently holding the fates of all nations in their filthy hands…) But I digress….

Camus’ Caligula can hardly be seen as a ruthless monster. We’re not in Gore Vidal’s territory here, thankfully. Caligula loses the one person he loved most, his sister, and he falls to pieces. Drusilla isn’t with him anymore, therefore the world may rot for all he cares. And perhaps, he’ll feel better if he assists in the speedy procession of this ‘’rotting’’. He feels nothing, desires nothing but absolute control and even this is questionable. He establishes a tyranny of frightening proportions and wants the moon, the impossible, because nothing matters to him in the end. He shines as one of the most memorable protagonists in the context of a historical play to ever grace the stages worldwide. He has this distorted notion of freedom -but is it as distorted as we think, or there are many fragments of truth in his views about what being a ‘’free man’’ really means?- of being alive and in control and yearns for everything he cannot have.

Camus’s writing is modern, contemporary to the time of the play, but never alienated from the context of the character. The words are flowing, the action aims right into the heart and the mind of the reader and the watcher with ruthless precision. The scenes lead to the bitter (?) end. Caligula in the hands of Camus becomes a shuttered, broken man who believes in nothing and desires the impossible. He gives in to his pain and projects his agony to the people around him. But the people around him are his subjects and they make for the most direct and at the same time, dull plaything. What could be more human than that? When we are in deep pain and desperation, the world ceases to exist and the others become scapegoats, easy targets for our rage and wrath. We all have done it in our lives and we are certain to do it again.

Camus creates a figure that couldn’t be a more realistic depiction of the darkest recesses of the human nature. Never mind the myths about the horse that became a Senator, or the complex head-cutting machine or the intercourses with brides and grooms alike. These have nothing to do with the heart of Camus’ play. These belong to ridiculous films for those who desire shock for shock value. It is a sacrilege to even discuss them in the same context with Theatre. In this glorious moment of the finest art the human beings ever created, Caligula holds a mirror that shows the true face of mankind in despair….

( )
  AmaliaGavea | Jul 15, 2018 |
ইয়ে দুনিয়া পিত্তল দি
হো বেবি ডল ম্যাঁয় সোনে দি
আধুনিক দর্শনের অন্যতম প্রধান একটি ঘরানা হলো Existentialism বা অস্তিত্ববাদ। সোয়েরেন কিয়ের্কেগ, ফ্রিডরিখ নীটশে, ফিওদর দস্তয়েভস্কি, ফ্রাঞ্জ কাফকা, জাঁ পল সার্ত্রে, আলব্যার কামু, প্রমুখ বাঘা বাঘা সব লেখক-দার্শনিকেরা এই ঘরানার দর্শনের প্রচার করেছেন, তর্কে মেতেছেন একে অপরের সাথে অস্তিত্ববাদের প্রকৃত সংজ্ঞা নিরূপণ করতে, রচনা করেছেন দুনিয়া কাঁপিয়ে দেয়া সব সাহিত্যকর্ম। বর্তমান বিশ্বের সেরা ১০০টি বইয়ের তালিকা করতে বসলে অবধারিতভাবে শীর্ষ দশের মাঝেই চলে আসবে অস্তিত্ববাদকে কেন্দ্র করে লেখা ক’টি উপন্যাস কিংবা দর্শনতত্ত্বের বই; নীটশে, কামু, সার্ত্রে, কাফকা, দস্তয়েভস্কি-এঁদের বইগুলোই দখল করে নেবে সেই তালিকার ওপরের সারির জায়গাগুলো। এঁদের একেকজনের অস্তিত্ববাদের ব্যাখ্যা একেক রকম, প্রকাশভঙ্গি স্বতন্ত্র, কখনো কখনো কারো সাথে কারো হয়তো মেলেওনা, তবুও, প্রত্যেকের অস্তিত্ববাদের সুরে রয়েছে ভীষণ হতাশা, নিজেকে প্রকাশ করবার আকুল এক কামনা, আছে নিজের সাথে নিজের ভীষণ এক দ্বন্দ্বের ঠোকাঠুকি। মানব মনের অলি গলি কানাপথে যাঁরা ঢুঁ মেরে বেড়াতে চান, জীবনের অর্থ যাঁরা খুঁজে ফেরেন, মহাবিশ্বের বিশালতার তুলনায় আমাদের নগণ্য অস্তিত্বের অসারতা নিয়ে যাঁরা ভাবিত হন, তাঁদের মনের দার্শনিক স্বত্ত্বাটিকে উসকে দিতে নীটশে, কামুরা অবশ্যপাঠ্যই বটে (দুঃখিত পাওলো কোলো, আপনার pseudo-দার্শনিক বুলি সংবলিত কোন লেখাই এ বিবেচনায় আসবেনা। বস্তুত, ‘তুমি অন্তর থেকে কিছু চাইলে গোটা মহাজগৎ-ই তোমার সেই চাহিদা পুরণ করতে উঠে পড়ে লেগে যায়’-কোলো’র ছেলে ভোলানো শাহরুখীয় এই দর্শনের কথা শুনলে নীটশে হয়তো একে নেহাৎ ‘দুর্বলের সান্ত্বনা’ বলে হেসেই উড়িয়ে দিতেন!)।

অস্তিত্ববাদের সঠিক সংজ্ঞা কি হওয়া উচিৎ, তা নিয়ে দার্শনিকদের মাঝে কম মতভেদ নেই, তবে প্রত্যেকেরই নিজের নিজের ভঙ্গিতে একটি বিষয়ই উঠে এসেছে, তা হলো, ব্যক্তির একান্ত নিজের ইচ্ছেগুলোকে প্রাধান্য দেয়া, চারপাশের সমাজের বেঁধে দেয়া নিয়মের বাইরেও যে জীবন থাকতে পারে, তার স্বীকৃতি দাবী করা। অস্তিত্ববাদ এই পৃথিবীর মায় এই গোটা মহাবিশ্বের চলতি নিয়মকে মানতে চায় না; সবকিছুর ওপরে নিজের অস্তিত্বের দাবীকে প্রতিষ্ঠা করা অস্তিত্ববাদীর মূল কথা, কারণ, অস্তিত্ববাদী বিশ্বাস করেন, সৃষ্টির গোটাটাই অর্থহীন। অর্থহীন এক জগতে অর্থহীন সমাজের অর্থহীন নিয়ম মেনে মেনে অর্থহীন এক জীবন কাটিয়ে দেয়াটা অস্তিত্ববাদীর পক্ষে সহনীয় কিছু নয়! অস্তিত্ববাদীর কাছে যেহেতু জীবনের কোন অর্থ নেই, ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই, তাই তাঁর কিছুতেই কিছু এসে যায়না; জীবনকে অর্থ দান করতে তাঁর সমাধান হলো নিজের নিয়মে চলো, নিজের মতকে সুপ্রতিষ্ঠিত কর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি তাঁর ছাত্রদের বলতেন ‘দাগ রেখে যেতে’, অর্থাৎ কিনা মানুষের মনে জায়গা করে নিতে, নিজের স্বকীয়তার ছাপ রেখে যেতে। এটি অস্তিত্ববাদীরও মূল তত্ত্ব বটে। তবে রবি ঠাকুর কিন্তু অস্তিত্ববাদী ছিলেননা, বস্তুত, আমরা সবাই-ই কোন না কোন ক্ষেত্রে অস্তিত্ববাদী! আমরা যখন মাও-লেনিন-স্টালিন-মুজিব-হাসিনা-জিয়া-খালেদা-মুহম্মদ​ কি যীশুর সমালোচনা করতে বসি, আমরা আমাদের ঐ অস্তিত্ববাদী স্বত্ত্বাটিকেই বার করে আনি। আমাদের মাঝে যাঁরা তীব্র অনুভূতিশীল,সমাজবাদের​ নামে, ধর্মের নামে, পুঁজিবাদের নামে, গণতন্ত্রের নামে (ইত্যাদি আরো যতোসব গালভরা ‘বাদ’ আছে) মানুষ শোষণের যান্ত্রিকতায় যাঁরা ক্লান্ত, ক্ষুব্ধ ও ক্রোধান্বিত হয়ে প্রায়শয়ই হেঁড়ে গলায় চেঁচিয়ে ওঠেন, প্রতিবাদের মুষ্ঠি তোলেন-যা শত-হাজার বছরের সংস্কৃতিতে সমাজের কি রাজনীতির কি ধর্মের বেঁধে দেওয়া নিয়মের সংজ্ঞামতে ‘ট্যাবু’-ঐ বিশেষ ক্ষেত্রগুলোতে তাঁরা অস্তিত্ববাদী তো বটেনই। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের ভীষণ গোঁড়া শুধুমাত্র শ্বেত-চর্মের অভিজাত মানুষদের অধিকারে থাকা এক গ্রামে গিয়ে চোখে পড়েছিলো এক বাড়ীর সামনে টাঙ্গানো বাড়ীর মালিকের বিরাট সাইনবোর্ড, যাতে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা ছিলো ‘Obama can kiss my ass’। প্রচলিত সমাজের ভদ্রতার আনুষ্ঠানিকতাকে পাশ কাটিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিটিকে নিজের পশ্চাৎদ্দেশে চুমু খাওয়ানোর এই বাসনা প্রকাশ করাটিও বাড়ীর মালিকের অস্তিত্ববাদ স্বত্ত্বাটির পরিচায়ক। এমনিতে অস্তিত্ববাদীর নিজের ইচ্ছেমতো সংজ্ঞায়িত নিয়মে চলাটাকে হয়তো আমরা সমাজবদ্ধ বেশীরভাগ সভ্য মানুষেরাই মন্দ চোখে দেখতে চাইবো। তবে, ভীষণ কুরুচিপূর্ণ এক নাচের তালে তালে ঠোঁট মিলিয়ে সানি লিওন যখন দাবী করেন পিতলের তৈরী এই দুনিয়াতে তিনি একাই স্বর্ণের তৈরী বেবি ডল, তাঁর সৌন্দর্য্যের কথা ভেবে, তাঁর পূর্বতন জীবনের মধু স্মৃতি স্মরণ করে তাঁর অস্তিত্ববাদী এই দাবীটিকে আমরা স্বীকৃতি দেইও বটে!

রোমান সম্রাট ক্যালিগুলা ইতিহাসের পাতায় ঘৃণিত এক নাম। রাজ-রাজড়া মাত্রেই উৎপীড়ক, তবে ক্যালিগুলা’র কুশাসনের কীর্তিগাঁথা আজ কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। আধুনিক কালে আর সবকিছু ছাপিয়ে ক্যালিগুলার যৌন বিকৃতির কথা বারবার উঠে আসে, খুব সম্ভব ১৯৭৯ সালের ‘ইরোটিক’ ঘরানার চলচ্চিত্রটির জন্যই। বিকৃত যৌনতার ১৭০ মিনিটের ভয়ানক এক প্রদর্শনী এই ‘ক্যালিগুলা’ চলচ্চিত্রটি। ‘ক্যালিগুলা’’র চিত্রনাট্য লিখবার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো আমেরিকার বর্তমান কালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক গোর ভিদাল কে। ভিদাল তাঁর মূল চিত্রনাট্যে ক্যালিগুলার বিবর্তন দেখান। দয়ালু শাসক ও নেহাৎ-ই ভালোমানুষ ক্যালিগুলা হঠাৎ ক্ষমতার প্রতি তীব্র লোভ থেকে কীভাবে পাশবিক এক চরিত্রে পরিণত হন, স্বভাবসিদ্ধ ব্যাঙ্গের মারপ্যাঁচে সে গল্প বলাই ভিদালের আসল লক্ষ্য ছিলো। তবে পরিচালক তিন্তো ব্রাস চিত্রনাট্যটিকে আমূল বদলে তাতে কমিক্যাল যৌন দৃশ্যের আমদানী করেন (‘সেক্স-কমেডী’ ঘরানায় তিন্তো ব্রাস বেশ প্রসিদ্ধ একটি নাম, নব্বইয়ের দশকে তাঁর পরিচালনায় এ ঘরানার বেশ কিছু চলচ্চিত্র বেরিয়েছিলো)। পরিচালক-চিত্রনাট্যকারের​ মতের অমিলের ফলে ভিদাল ‘ক্যালিগুলা’ চলচ্চিত্রটির সাথে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন এবং এর দায়ভার নিতে অস্বীকৃতি জানান। এর মাঝে ক্যালিগুলার প্রযোজক বব গুচ্চিওন আলাদা ভাবে রীতিমতো পর্ণগ্রাফিক পর্যায়ের যৌন দৃশ্য শ্যুট করে তা তিন্তোর অংশের সাথে জুড়ে দেন; গুচ্চিওনের পরিকল্পনা ছিলো পরবর্তীতে ক্যালিগুলাকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি পর্ণগ্রাফিক চলচ্চিত্র বানাবেন। এবার তিন্তোও ‘ক্যালিগুলা’র সাথে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার যান! এমন গোলমেলে নাটুকেপনা বোধহয় ক্যালিগুলার সাথেই যায়।

ক্যালিগুলা ৩ বছর ১০ মাস রাজ্যশাসনে ছিলেন, রোমের জনগণের কাছে এই পৌনে ৪টা বছর ছিলো দুঃস্বপ্নের মতো। বিলাস ব্যাসনে আর রাজকীয় সুরম্য সব দালান নির্মাণে ক্যালিগুলা এত মগ্ন ছিলেন, জনগণের দিকে তাকাবার অবসর তাঁর কখনো হয়নি। বলা হয়, এইসব আরাম প্রমোদের পেছনে ক্যালিগুলার ওড়ানো অর্থের পরিমাণ ছিলো ২৭০কোটি সেসটারস (Sesterce) (সে আমলের রোমান মুদ্রা); রাজ্য তখন দুর্ভিক্ষের ক্ষুধায় জর্জরিত। এসব ছাড়াও ইতিহাসের বই সাক্ষ্য দেয় ক্যালিগুলার যথেচ্ছাচার নিষ্ঠুরতার, ধর্ষকামের, আর তাঁর উন্মাদীয় পর্যায়ের ক্ষমতার লোভের। যদিও ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ, তবুও বাস্তবের ক্যালিগুলার ওপর ভিত্তি করে বানানো চলচ্চিত্রটি দেখলে শিউরে উঠতে হয় এমন পশুবৎ মানসিকতার পরিচয় পেয়ে। এ যেন হিটলার, স্টালিন আর কিম জং উনের এক অদ্ভুত শঙ্কর!

আলব্যার কামু তাঁর ‘ক্যালিগুলা’ নাটকে নির্মাণ করেছেন ভয়ঙ্কর অস্তিত্ববাদী এক ক্যালিগুলাকে। আপন বোন ও প্রেমিকা ড্রুসিলার মৃত্যুর পর আপাতঃ ভালো মানুষ ক্যালিগুলার হঠাৎ এক উপলব্ধি ঘটে, ‘Men die, and they are not happy’। সুখী হবার বাসনায়, অসম্ভবকে পাবার তাড়নায় ক্যালিগুলা এরপর ধীরে ধীরে এক নিরেট হৃদয়ের (নিরেট মস্তিষ্কেরও বোধ করি!) পাষাণে পরিণত হয়। ক্যালিগুলার দর্শনমতে চূড়ান্ত ক্ষমতাই হলো চূড়ান্ত সুখ। অধরা সেই সুখকে হাতের মুঠোয় বন্দী করতে মনে যা ইচ্ছে জাগে তাই করে নিষ্ঠুর ক্যালিগুলা; হোক তা প্রতিপক্ষের শিরোচ্ছেদ করে, প্রজাদের সম্পত্তি নিজের নামে বাজেয়াপ্ত করে, জোর করে বিষ খাইয়ে কিংবা রাজ্যের খাদ্যশালায় তালা লাগিয়ে দুর্ভিক্ষ তৈরী করে। নিজেকে ঈশ্বরের সিংহাসনে দেখতে চায় ক্যালিগুলা, মুখ থেকে হুকুম বেরোবার সাথে সাথেই যেন তা পালিত হয়। অদ্ভুত এক উন্মাদনায় পেয়ে বসে রোমান সম্রাটকে। জাগতিক সব রকম সুখ পাবার জন্য, মনের ইচ্ছে মেটাবার জন্য ক্যালিগুলা প্রেম-ভালোবাসা-বন্ধুত্ব্বকে​ অস্বীকার করে, স্ত্রী ক্যাসোনিয়াকে জানিয়ে দেয় ‘living’ টা ‘loving’ এর ঠিক বিপরীত। ইতিহাসের ক্যালিগুলা সম্রাটের আসনে বসবার কিছু পরেই তাঁর রাজ্যের পতিতালয়গুলোর ওপর কর আরোপ করেছিলেন। এ ব্যাপারটিকে কামু ব্যাঙ্গ করেছেন তাঁর রচনায়। নাটকের ক্যালিগুলা তার রাজ্যে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করবার পর পতিতালয়ের প্রবেশমূল্য বাড়িয়ে দেয়। আবার এও সমন জারী করে, যে নাগরিকেরা পতিতালয়ে সবচেয়ে বেশী টাকা ঢালবে, তাদের বিশেষ সম্মানের ব্যাজ পরিয়ে দেয়া হবে। সম্মাননার এই ব্যাজ প্রতি মাসে তালিকা ধরে ধরে বিতরণ করা হবে। এক বছরের মাঝে যদি কোন নাগরিকের একটিও ব্যাজ প্রাপ্তি না হয়, তাহলে তাকে ‘হয় নির্বাসিত নয় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে’। এ এক অদ্ভুত কমেডি; হাস্যকর, কিন্তু কি নিদারুণ! মানব চরিত্রের ওপর ঘেন্না চলে এলেই বুঝি এমন কমেডি লেখা সম্ভব হয়? মাত্র ৪৩ বছর বয়েসে নোবেল জেতা কামু’র ভীষণ বুদ্ধিদীপ্ত মগজের সামান্য নমুনা এটি।

তবে ‘ক্যালিগুলা’ নাটকের মর্মার্থ অন্য জায়গায়। ক্যালিগুলা এক পর্যায়ে বুঝতে পারে সুখী হবার তার এ পন্থা স্রেফ আত্নহত্যা স্বরূপ; জনগণের রোষের মুখে টেকার উপায় তার নেই, তবুও সে গোঁয়ারের মতো জেদ ধরে এগিয়ে যায় তার একান্ত নিজস্ব যুক্তির পথ ধরে। কামু’র নিজের ব্যাখ্যায় ক্যালিগুলা নাটকটি বেশিরভাগ মানুষের জীবনেরই ট্র্যাজেডী। দূর্ভাগ্যক্রমে প্রেমিকা ড্রুসিলাকে হারাবার পর ক্যালিগুলা চেয়েছিলো ভাগ্যের বিপরীতে বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়াতে, কিন্তু তা করতে গিয়ে সে অস্বীকার করে গিয়েছে গোটা মনুষ্যসমাজকেই। একদিকে ক্যালিগুলা নিজের কাছে নিজেকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছে বটে, কিন্তু বিপরীতে গোটা সমাজের অবিশ্বাস কুড়িয়ে নিজের ধ্বংসই ডেকে এনেছে। নাটকের শেষ দৃশ্যে ক্যালিগুলা তাই তার মৃত্যুকে মেনে নেয়, শেষ এই মুহূর্তে এসেই কেবল সে বোঝে জীবনটা আসলে একার নয়, সবাইকে গোল্লায় পাঠিয়ে একা একা বেঁচে থাকা যায়না। মানবতার কি সূক্ষ্ণ বাণী অথচ কি ভীষণ মোটা দাগে লেখা!

ক্যালিগুলা নাটকটি পড়া শেষ করলাম ঠিক যেদিন যে মুহূর্তে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কর্তা হবার শপথ নিলেন। নাটকের ক্যালিগুলা নিজের বুক চাপড়িয়ে প্রজাদের বলে গোটা রোমান সাম্রাজ্যে এই প্রথম তারা এমন একজন সম্রাট পেলো যে কিনা তাদের মুক্তির পথে নিয়ে যেতে পারে। মানুষে মানুষে মিল থাকবেই, আমাদের রক্তে, আমাদের জিনে সেই একই তথ্য সৃষ্টির শুরু থেকে বয়ে আসছে; হাজার হাজার বছরের দূরত্বের দুটি মানুষের চিন্তাধারাটা মেরেকেটে একই রকম থাকবে, এটি খুব বিচিত্র কিছু নয়, তবুও মনের ভেতরে গভীর অন্ধকারে ‘ক্যালিগুলা’ আর ‘Make America Great Again’ এই পাঁচটি শব্দ ঘুরপাক খেতে খেতে মিশে এক হয়ে যায়। এরপর আমি আর আলাদা করতে পারিনা কে স্টালিন, কে হিটলার, কে ক্যালিগুলা আর কে ডোনাল্ড ট্রাম্প। তখন আমার আর কিস্যুতে কিস্যু এসে যায়না।

( )
  Shaker07 | May 18, 2017 |
EL PODER DE LO IMPOSIBLE

Camus toma el personaje histórico de Calígula, especialmente por su locura, para hacerle partícipe del sentimiento del absurdo. Esta sensación se apodera de él, convirtiéndole en un defensor de una idea: conseguir lo imposible; una de las imágenes que simbolizan esta actitud: el deseo de apoderarse de la luna. Este idealismo tiene sus raíces en la incomprensión y el rechazo de la vida tal como es. El mundo no es soportable ante la infelicidad de los hombres y su mortalidad, y pretende lograr, mediante el poder casi absoluto desde su puesto de César, lo utópico, lo inalcanzable.

Es un pensamiento revolucionario, una nueva lógica para la vida que consiste en tener la libertad total, aún a costa de los demás. La crítica y repulsión ante todo lo establecido: moral, sociedad, política, amor y religión, hacen que Calígula tome decisiones descabelladas, a cual más cruel e incoherente para sus súbditos y allegados.

Hay 3 grupos de personas que “rodean” al personaje principal: los patricios, temerosos por sus intereses particulares y siempre es el blanco de las brutalidades del emperador; los que están a su lado por diferentes motivos: amor o mejor trato; y por último hay 2 personajes que entienden sus “visiones”, pero uno teme estas ideas, pues está conforme en el mundo tal como lo conocemos, y el otro siente igual que él, pero no aprueba sus métodos.

Es una obra sobre el sufrimiento humano, la libertad, el amor, la maldad y la moral. ( )
  JAVIFAUSTO | Jun 27, 2013 |
the play shows Caligula the Roman Emperor, torn by the death of Drusilla, his sister and lover.Caligula responds to her death by beginning a reign of terror against the Roman citizens, but this will not be the only reason .. and wouldn't be a deep interpretation of Caligula's brutality , bloodthirstiness and sadism...
it cant be only attributed to an accident .. it shows that his feelings of insecurity and tendency to violence were already present....
only his pain and misery for loosing her give him an excuse ......
the play portrays many scenes of his madness and cruelty ...

He comes to believe that Men die and they are not happy...
This truth, which he concluded ,was for him something which must be educated,and To do so,Caligula ordered that all Roman citizens must disinherit their children, leave all their money to the State, and be executed.....
and In this way he will demonstrate the cruelty of life ....

this was how he logically justified murder .....

Caligula sees himself as the only free man in the Empire, as he is the only person who can receive orders from no one...
Yet his freedom is still limited by the laws of possibility. His desire is for freedom without any limitations....
but this is an impossible desire ......

and can not be reached through the absurd....


"Yes, really, it’s quite simple. If I’d had the moon, if love were enough, all might have been different.
But where could I quench this thirst? What human heart, what god, would have for me the depth of
a great lake? There’s nothing in this world, or in the other, made to my stature. And yet I know,
and you, too, know that all I need is for the impossible to be. The impossible! I’ve searched for it
at the confines of the world, in the secret places of my heart. I’ve stretched out my hands; see, I
stretch out my hands, but it’s always you I find, you only, confronting me, and I’ve come to hate
you. I have chosen a wrong path, a path that leads to nothing. My freedom isn’t the right one….
Nothing, nothing yet. Oh, how oppressive is this darkness! "





( )
1 rösta ariesblue | Mar 31, 2013 |
“O mundo assim como está não é suportável. Por conseguinte, preciso da lua, ou da felicidade, ou da imortalidade, de qualquer coisa que seja loucura, talvez, mas que não pertença a esse mundo.”
“Não é ambição que me faz agir, mas um medo lógico, medo desse inumano lirismo frente ao qual minha vida não conta para nada”. ( )
  JuliaBoechat | Mar 30, 2013 |
Visa 1-5 av 8 (nästa | visa alla)
inga recensioner | lägg till en recension

» Lägg till fler författare (9 möjliga)

Författarens namnRollTyp av författareVerk?Status
Albert Camusprimär författarealla utgåvorberäknat
Bernárdez, AuroraÖversättaremedförfattarevissa utgåvorbekräftat
Du måste logga in för att ändra Allmänna fakta.
Mer hjälp finns på hjälpsidan för Allmänna fakta.
Vedertagen titel
Information från den engelska sidan med allmänna fakta. Redigera om du vill anpassa till ditt språk.
Originaltitel
Alternativa titlar
Första utgivningsdatum
Personer/gestalter
Viktiga platser
Viktiga händelser
Information från den engelska sidan med allmänna fakta. Redigera om du vill anpassa till ditt språk.
Relaterade filmer
Priser och utmärkelser
Motto
Dedikation
Inledande ord
Citat
Avslutande ord
Särskiljningsnotis
Förlagets redaktörer
På baksidan citeras
Ursprungsspråk
Information från den engelska sidan med allmänna fakta. Redigera om du vill anpassa till ditt språk.
Kanonisk DDC/MDS

Hänvisningar till detta verk hos externa resurser.

Wikipedia på engelska

Ingen/inga

In this passionate, poetic and darkly comic drama, a charismatic leader is given absolute freedom to challenge social convention in pursuit of personal obsession. Following the death of his beloved sister, Emperor Caligula deserts the Roman Assembly for three days and three nights. He returns with a single objective: to understand the meaning of life. Caligula, in this new translation by David Greig, was first presented at the Donmar Warehouse in April 2003.

Inga biblioteksbeskrivningar kunde hittas.

Bokbeskrivning
Haiku-sammanfattning

Snabblänkar

Populära omslag

Betyg

Medelbetyg: (3.92)
0.5
1
1.5
2 4
2.5
3 15
3.5 2
4 26
4.5 1
5 18

Är det här du?

Bli LibraryThing-författare.

 

Om | Kontakt | LibraryThing.com | Sekretess/Villkor | Hjälp/Vanliga frågor | Blogg | Butik | APIs | TinyCat | Efterlämnade bibliotek | Förhandsrecensenter | Allmänna fakta | 154,415,007 böcker! | Topplisten: Alltid synlig